9bbd-এ নিয়মিত খেললেই ভিআইপি পয়েন্ট জমে। সিলভার থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত — প্রতিটি স্তরে নতুন সুবিধা, বেশি ক্যাশব্যাক, দ্রুততর পেমেন্ট এবং এক্সক্লুসিভ অফার অপেক্ষা করছে।
যত বেশি খেলবেন, তত বেশি পয়েন্ট জমবে — এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী স্তরে উঠে যাবেন।
9bbd-এ প্রতিটি বাজিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পয়েন্ট যোগ হয়। নিচে একটি নমুনা প্রোগ্রেস দেখুন।
আর মাত্র ৳৩১,৫০০ বাজি রাখলেই প্লাটিনাম স্তরে পৌঁছে যাবেন।
9bbd ভিআইপি হওয়া মানে শুধু বেশি বোনাস নয় — পুরো অভিজ্ঞতাটাই আলাদা।
প্রতি মাসে খেলার পরিমাণের উপর ভিত্তি করে ৩% থেকে ১৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন। জিতলেও ভালো, হারলেও ক্যাশব্যাক আসে।
প্লাটিনাম থেকে উপরের সদস্যরা একজন নিবেদিত বাংলাভাষী ম্যানেজার পান — যিনি যেকোনো প্রশ্নে সরাসরি সাহায্য করেন।
নির্বাচিত ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচে সাধারণ অডসের চেয়ে বেশি পাবেন। গোল্ড থেকে শুরু হয়, ডায়মন্ডে সর্বোচ্চ।
ভিআইপি সদস্যদের উইথড্রয়াল সাধারণ সদস্যের আগে প্রসেস হয়। ডায়মন্ড স্তরে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট।
জন্মদিনে সারপ্রাইজ বোনাস, ঈদে বিশেষ অফার — 9bbd-এর ভিআইপি সদস্যরা এই বিশেষ মুহূর্তগুলোতে আলাদা সুবিধা পান।
সাধারণ সদস্যের তুলনায় ভিআইপি সদস্যরা প্রতিটি ম্যাচে বড় পরিমাণ বাজি রাখতে পারেন — ডায়মন্ড স্তরে সর্বোচ্চ সীমা।
কিছু নির্বাচিত গেম শুধু প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত — সাধারণ সদস্যরা এগুলো খেলতে পারেন না।
বড় টুর্নামেন্ট বা বিশেষ ইভেন্টের অডস সাধারণের আগে ভিআইপিদের কাছে পাওয়া যায় — সেরা অডসে আগে বাজি রাখুন।
ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদা সাপোর্ট চ্যানেল — ব্যস্ত সময়েও অপেক্ষা করতে হয় না, তাৎক্ষণিক সমাধান।
প্রতিটি ভিআইপি স্তরে কী কী পাবেন তা একনজরে দেখুন।
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| মাসিক ক্যাশব্যাক | ৩% | ৬% | ১০% | ১৫% |
| সাপ্তাহিক ফ্রি স্পিন | ১০ | ৩০ | ৭৫ | আনলিমিটেড |
| অগ্রাধিকার উইথড্রয়াল | ||||
| বুস্টেড অডস | ||||
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | ||||
| এক্সক্লুসিভ গেম | ||||
| তাৎক্ষণিক উইথড্রয়াল | ||||
| বার্ষিক বিশেষ পুরস্কার |
বগুড়া থেকে শুরু করে ঢাকার যে কোনো প্রান্তের নিয়মিত 9bbd খেলোয়াড়রা একটা কথা বলেন — ভিআইপি হওয়ার পর মনে হয় যেন আলাদা একটা জগতে চলে এসেছি। এটা মোটেও বাড়িয়ে বলা নয়।
সাধারণ সদস্যের সাথে ভিআইপি সদস্যের পার্থক্য শুরু হয় উইথড্রয়াল থেকেই। জিতে যাওয়ার পর টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা বেশ বিরক্তিকর। 9bbd-এর গোল্ড সদস্যরা যেখানে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটে পেমেন্ট পান, ডায়মন্ড সদস্যরা পান তাৎক্ষণিকভাবে। লাকি ড্রতে জিতলে যেমন সঙ্গে সঙ্গে হাতে পাওয়া যায়, অনেকটা সেরকম অনুভূতি।
তাছাড়া ভিআইপি ক্যাশব্যাক একটা দারুণ ব্যাপার। ধরুন এই মাসে আপনি মোট ১,০০,০০০ টাকা বাজি রেখেছেন এবং ফলাফল মিশ্র — কিছু জিতেছেন, কিছু হেরেছেন। 9bbd-এর প্লাটিনাম সদস্য হলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যাশব্যাক পাবেন শুধু খেলার জন্যই। এটা একটা নিরাপত্তার জাল — হারলেও কিছুটা ফেরত আসে।
9bbd-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ অনলাইন — কোনো শাখায় যেতে হয় না, কাগজপত্র লাগে না। বান্দরবানের পার্বত্য এলাকায় বসে মোবাইলে খেলেও ভিআইপি স্তর পরিবর্তন হয়, ম্যানেজার হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন, বোনাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়। বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, 9bbd ভিআইপি অভিজ্ঞতা একইরকম।
সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় — আলাদাভাবে আবেদন করতে হয় না।
নিবন্ধন করুন এবং প্রথম ডিপোজিট করুন। মাত্র ১০০ টাকা থেকে শুরু করা যায়।
প্রতিটি বাজিতে ভিআইপি পয়েন্ট জমতে থাকে। স্পোর্টস, স্লট বা লাইভ ক্যাসিনো — সবখানেই পয়েন্ট আসে।
মাসিক পয়েন্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে পরবর্তী ভিআইপি স্তরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উন্নীত হবেন।
স্তর পরিবর্তনের সাথে সাথেই নতুন সুবিধাগুলো কার্যকর হয়ে যায় — কোনো অপেক্ষা নেই।
প্রতি মাসের শুরুতে গত মাসের ক্যাশব্যাক ব্যালেন্সে যোগ হয়। বোনাস পেজ থেকে ক্লেইম করুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো একনজরে।
কৌশলী পরামর্শ
মাসের শেষ সপ্তাহে পয়েন্ট একটু কম থাকলে লাইভ ক্যাসিনোতে খেলুন — এখানে প্রতি ১০০ টাকায় সর্বোচ্চ ২ পয়েন্ট পাওয়া যায়, তাই দ্রুত পরবর্তী স্তরে পৌঁছানো সম্ভব।
অনেকে ভাবেন ভিআইপি হওয়া মানে প্রচুর টাকা খরচ করতে হবে। এটা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। 9bbd-এর সিলভার স্তর মাত্র মাসে ৫,০০০ টাকা বাজি রাখলেই পাওয়া যায় — যারা নিয়মিত ছোট ছোট বাজি রাখেন তাদের জন্যও এটা অর্জনযোগ্য।
কুমিল্লার এক নিয়মিত সদস্য জানিয়েছেন, রাতের বাজারের ভিড়েও মোবাইলে 9bbd-এ ছোট ছোট বাজি রাখতেন। মাস শেষে হিসাব করে দেখলেন সিলভার পেরিয়ে গোল্ডে পৌঁছে গেছেন। পরের মাসে ক্যাশব্যাক আসলো — সেটা তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না।
আরেকটা ভুল ধারণা হলো একবার ভিআইপি হলে আর কখনো পড়তে হয় না। আসলে প্রতি মাসে নতুনভাবে পয়েন্ট গণনা হয়। তবে চিন্তার কারণ নেই — যদি কোনো মাসে কম খেলা হয়, সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ধাপ নামিয়ে দেয়, পুরোপুরি বাদ দেয় না। আবার পরের মাসে সক্রিয় হলেই আগের স্তরে ফিরে আসা যায়।
মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে নিয়মিত খেললে সাধারণত স্তর ধরে রাখা সম্ভব হয়। 9bbd-এর অ্যাকাউন্ট পেজে ভিআইপি প্রোগ্রেস বার সবসময় দেখা যায় — এতে বোঝা যায় আর কতটুকু বাকি। যারা একটু বুদ্ধি করে খেলেন তারা বোনাস পয়েন্টের দিনে বেশি খেলেন, যখন পয়েন্ট দ্বিগুণ বা তিনগুণ পাওয়া যায়। 9bbd মাঝে মাঝে এই ধরনের ডাবল পয়েন্ট ইভেন্ট রাখে, বিশেষত বড় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সময়।
শেষ কথা হলো 9bbd-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম সৎ ও স্বচ্ছ। কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো অপ্রত্যাশিত বাধা নেই। যা বলা হয়েছে তাই পাওয়া যায় — এই বিশ্বাসযোগ্যতাটাই বাংলাদেশের হাজার হাজার সদস্যকে ভিআইপি প্রোগ্রামে ধরে রেখেছে।
9bbd ভিআইপি অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের সদস্যদের মতামত।
প্লাটিনামে ওঠার পর থেকে উইথড্রয়াল অনেক দ্রুত হয়েছে। আগে ৩০ মিনিট লাগতো, এখন ১০ মিনিটের মধ্যেই বিকাশে আসে। ক্যাশব্যাকটাও প্রতি মাসে ভালোই হয়।
গোল্ডে বুস্টেড অডস পাওয়াটা আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে। বড় ম্যাচে সামান্য বেশি অডস মানে জিতলে অনেক বেশি পার্থক্য হয়ে যায়।
ডায়মন্ড ম্যানেজার সত্যিই কাজের। একবার একটা পেমেন্টে সমস্যা হয়েছিল, ফোনে জানালাম, ১৫ মিনিটে সমাধান হয়ে গেল। এই সার্ভিসটা অমূল্য।
ভিআইপি সদস্যরা যেসব প্রশ্ন প্রায়ই করেন।